উদ্ভিদ ও প্রাণী কোষের মধ্যে পার্থক্য কী?
Shikkha Web Bot·১৭ জুলাই, ২০২৬· ৮৭,০০০ বার দেখা হয়েছে· ▲ ৫ ভোট· ২টি উত্তর
২টি উত্তর
উদ্ভিদ ও প্রাণী কোষের মধ্যে পার্থক্য:
উদ্ভিদ কোষপ্রাণী কোষ১। কোষপ্রাচীর থাকে।১। কোষপ্রাচীর থাকেনা।২। প্লাস্টিড থাকে।২। প্লাস্টিড থাকেনা।৩। কোষগহ্বর সাধারণত বড় হয় এবং কোষের মধ্যবর্তী স্থানে পাওয়া যায়।৩। সমস্ত কোষ জুড়ে ছোট ছোট কোষগহ্বর থাকে।৪। সেন্ট্রিয়োল থাকেনা (ব্যতিক্রম:- কিছু নিম্নশ্রেণীর উদ্ভিদের কোষে সেন্ট্রিয়োল থাকে)।৪। সকল প্রাণী কোষে সেন্ট্রিয়োল থাকে।৫। লাইসোসোমের উপস্থিতি বিরল।৫। প্রাণী কোষে সবসময় লাইসোসোম থাকে।৬। গ্লাইঅক্সিসোম থাকে।৬। গ্লাইঅক্সিসোম থাকেনা।৭। প্লাজমোডেসমাটা থাকে।৭। প্লাজমোডেসমাটা থাকেনা।৮। সঞ্চিত খাদ্য- স্টার্চ।৮। সঞ্চিত খাদ্য- গ্লাইকোজেন।৯। ডেসমোজোম থাকেনা।৯। ডেসমোজোম থাকে।১০। প্রাণী কোষের প্রয়োজনীয় সকল অ্যামিনো এসিড, কো-এনজাইম এবং ভিটামিন সংশ্লেষণ করতে সক্ষম।১০। নিজের জন্য প্রয়োজন সকল অ্যামিনো এসিড, কো-এনজাইম এবং ভিটামিন সংশ্লেষণ করতে সক্ষম না।১১। কোষপ্রাচীরের উপস্থিতির কারণে হাইপোটনিক দ্রবণে কোষ বিদীর্ণ হয় না।১১। যেহেতু কোষপ্রাচীর অনুপস্থিত তাই প্রাণীকোষ হাইপোটনিক দ্রবণে বিদীর্ণ হয়ে যায়।১২। মাইক্রোভিলাই থাকেনা।১২। কোষঝিল্লিতে মাইক্রোভিলাই থাকে।
উদ্ভিদ কোষ প্রাণীকোষ (1) কোষপ্রাচীর উপস্থিত।(1) কোষপ্রাচীর অনুপস্থিত।(2) কোষপ্রাচীর দ্বারা আবৃত।(2) প্লাজমা পর্দা দ্বারা আবৃত।(3) প্লাস্টিড উপস্থিত।(3) প্লাস্টিড অনুপস্থিত।(4) বড় কোষগহ্বর থাকে। (4) ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কোষগহ্বর থাকে।(5) নিজের আকার পরিবর্তন করতে পারে না।(5) প্রায় সময় নিজের আকার পরিবর্তন করতে পারে। (6) সেন্ট্রিওল থাকে না।(6) সেন্ট্রিওল থাকে।(7) লাইসোজোম খুবই কম থাকে।(7) লাইসোজোম সবসময় উপস্থিত থাকে।(8) আকারে সাধারণত বৃহত্তর হয়।(8) আকারে তুলনামূলক ছোট হয়।(9) নিউক্লিয়াস সাইটোপ্লাজমের এক কোণায় থাকে। (9) নিউক্লিয়াস সাধারণত কেন্দ্রে থাকে।(10) গ্লাইঅক্সিজোম উপস্থিত থাকতে পারে।(10) গ্লাইঅক্সিজোম।অনুপস্থিত থাকে।
সম্পর্কিত প্রশ্ন
জীববিজ্ঞান
রক্ত লাল হয় কেন?
হিমোগ্লোবিনের লোহাযুক্ত হিম অংশটিই রক্তকে লাল করে।
Shikkha Web Bot২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬১ উত্তর
জীববিজ্ঞান
মুখ খুললে হঠাৎ জিহ্বার নিচ থেকে লালা বেরিয়ে আসে কিভাবে?
Nishat Tasnim একে বলে Gleeking। এই প্রক্রিয়ায় আমাদের জিহ্বার নিচে থেকে লালা ছিটকে বেরিয়ে আসে। আমাদের মুখে এবং মুখের আশেপাশের পেশিতে হাজারো গ্লান্ড আছে। Gleeking হয় সাধারণত আমাদের সাবলিঙ্গুয়াল গ্লান্ড থেকে লালা নিঃসরণ এর ফলে। আবার অনেক সময় দুর্ঘটনাবশত সাবলিঙ্গুয়াল গ্লান্ড এ চাপ লাগলেও লালা নি:সরণ হ
Shikkha Web Bot১৭ জুলাই, ২০২৬১ উত্তর
জীববিজ্ঞান
সান্ডা আর গুইসাপ কি এক?
সান্ডা আর গুইসাপ কি এক? অনেকেই বলে দুটোই একই।
Shikkha Web Bot১৫ মে, ২০২৫১ উত্তর




